শিরোনাম
“খুনের দায়ে কুমিল্লায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড” চবি’র আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে হাসপাতালে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা শাহজাহান শিক্ষার্থীদের সাথে স্থানীয়দের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র চবি, ১৪৪ ধারা জারি নূরের উপর হামলা, চট্টগ্রামে সড়ক অবরোধ ভুরুঙ্গামারীতে সরকারি চাকুরির বিধি লঙ্ঘন করে প্রাথমিকের শিক্ষকের দাপুটে সাংবাদিকতা সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আবারও জমি ভরাটের কাজ করছেন চাঁনপুরে আওয়ামী দোসরেরা ফটিকছড়িতে মুরগির খামারে খাবার খেতে এসে ধরা পড়েছে একটি বিরল প্রজাতির মেছোবাঘ ক্ষমতায় গেলে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও দূর্নীতি প্রতিরোধ করবে জামায়াত: অধ্যক্ষ আমিরুজ্জামান গুলশানের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার রংপুর প্রেসক্লাবের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক আওয়ামী দোসর মেরিনা লাভলীর অফিস ও বাসায় পুলিশের তল্লাশি

শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য

Md Jahangir Alam

শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের পারজোয়ার ব্রাহ্মণগাও উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলক কোচিং। শিক্ষার্থী অভিভাবকরা ক্ষুব্ধ। বিদ্যালয়টিতে বাধ্যতামূলক কোচিং ফি আদায় করছেন সহকারী প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম। স্থানীয় অভিভাবকরা জানান ফেব্রুয়ারি মার্চ মাস থেকে নবম ও দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জোর করে কোচিং ক্লাস করতে বাধ্য করা হয়। অধিকাংশ শিক্ষার্থী কোচিং না করার অনুরোধ জানালে সহকারী প্রধান শিক্ষক হুমকি ধমকি ও বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের ভয় দেখান। কিছু শিক্ষার্থী ওই সময়ে কোচিংয়ে আসলেও বেশিরভাগ শিক্ষার্থী কোচিং ক্লাস করেননি।

পরবর্তীতে মে মাসের স্কুলের পরীক্ষার সময় নবম দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে জোরপূর্বক ৯০০ টাকা ও ১০০০ টাকা কোচিং ফি আদায় করেন। শিক্ষকরা বিষয়টি নিয়ে ঘোরা আপত্তি জানালেও তিনি সেটা আমালে নেননি। অভিভাবকরা ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের  বিষয়টি জানালে জাফর ইকবাল বাপ্পি মনু দেওয়ান রফিক উল্লাহ মিয়া সহকারী প্রধান শিক্ষককে কোচিং না করানো এবং টাকা না উঠাতে মৌখিক নির্দেশনা দেন। অভিযুক্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক বিষয়টিকে পাত্তা না দিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাত দিয়ে তাদের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেন। উল্লেখ্য মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে স্কুলে কোচিং বাণিজ্য বন্ধের নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশ অমান্য করে স্কুলের কিছু সুবিধাভোগী শিক্ষক কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। জানা যায় বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক নুরুল আমিন চিকিৎসা জনিত কারণে দুই মাসের ছুটিতে ছিলেন এ সুযোগে সরকারি প্রধান শিক্ষককে দুই মাসের জন্য ভারপ্রাপ্ত প্রদান করা হয়। বর্তমানে তিনি বিদ্যালয়ে যোগদান করেছেন তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন কোচিং করার কোন অনুমতি আমি দেইনি। বিষয়টি জানার পর আমি মৌখিকভাবে তাদেরকে নিষেধ করি কিন্তু নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিজেকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দাবি করে আমার নির্দেশ অমান্য করেন।এ ব্যাপারে বিদ্যালয়টির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন:  তারা বেপারটি খতিয়ে দেখবে।

Leave a Reply