শিরোনাম
পিআইবির প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন অনুষ্ঠান, বিভাগীয় কমিশনার নির্বাচনে বিশ্বাস ফেরানোই আমাদের মূল লক্ষ্য মব ‘মিষ্টি’ করে জমি দখলের চেষ্টা, পুলিশ-সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে রক্ষা শ্যামপুরে বিষাক্ত মদ্যপানে ৩ জনের মৃত্যু, চিকিৎসাধীন ২ জন, গ্রেফতার ব্যবসায়ী জয়নুল দেশে ছুটি শেষে মালে ফিরলেন প্রবাসী সাংবাদিক মোহাম্মদ মাহামুদুল মালদ্বীপস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনারের সঙ্গে মালদ্বীপে কর্মরত বাংলাদেশী ডাক্তারদের সৌজন্য সাক্ষাৎ বনশ্রীতে স্কুল শিক্ষার্থী হত্যায় সন্দিগ্ধ হোটেল কর্মী গ্রেপ্তার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ পেলেন হিরো আলম বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক: নবীউল্লাহ নবী এমপি সৎ হলে ঠিকাদারের চুরি করার সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা জুলাই সনদ হলেই মব জাস্টিস বন্ধ হবে না: আলী রীয়াজ

মব ‘মিষ্টি’ করে জমি দখলের চেষ্টা, পুলিশ-সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে রক্ষা

Desk Incharge

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট মানিকদী এলাকায় একটি বাণিজ্যিক প্রজেক্টে মব সৃষ্টি করে জমি দখল, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ক্যান্টনমেন্ট থানার দুই নেতা মোঃ আবুল কাশেম ও জহির উদ্দীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী।

 

ভুক্তভোগী সাইফুল ইসলাম জানান, সোমবার (১২ জানুয়ারি) বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে আবুল কাশেম ও জহির উদ্দীনের নেতৃত্বে ১০০ থেকে ১৫০ জন লোক মানিকদী এলাকায় অবস্থিত ওই প্রজেক্টে প্রবেশ করে জমি দখলের চেষ্টা চালায়। অভিযোগ অনুযায়ী, তারা পরিকল্পিতভাবে মব সৃষ্টি করে স্থাপনায় ভাঙচুর, লুটপাট চালায় এবং অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করে।

 

ঘটনাস্থলে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিষয়টি ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে অভিযুক্ত দুই জামায়াত নেতা তাদের দলবল নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে মানিকদী আবাসিক এলাকায় ওই জমি ও প্রজেক্ট ঘিরে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীকে দীর্ঘদিন ধরে ভয়ভীতি দেখানো ও অনৈতিক সুবিধা আদায়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল। সোমবার ব্যবসায়ী অনুপস্থিত থাকার সুযোগে পরিকল্পিতভাবে দখলের চেষ্টা চালানো হয়।

 

সাইফুল ইসলাম আরও অভিযোগ করেন, তার ভাই ২০২১ সাল থেকে আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসরদের হাতে নির্যাতনের শিকার হন। তাদেরকে জামায়াত-শিবির ও বিএনপির নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে একাধিক নাশকতার মামলা ও বিএনপির অর্থদাতা সংক্রান্ত মামলায় জড়ানো হয়। এসব মামলায় তাদেরকে কয়েক দফা কারাভোগও করতে হয়েছে।

 

তিনি জানান, আওয়ামী লীগ আমলের সময় যা ঘটেছে এখন ৫ আগস্টের পর তাই ঘটছে। দুই জামায়াত নেতা অত্যাচার নির্যাতনের এখন আমরা দিশেহারা। আমাদের জমি ও পাওনা বুঝিয়ে না দিয়ে তারা জবরদখল করার চেষ্টা করছে। এই নির্যাতনের বিষয়ে তিনি জামায়াতের আমির ও মহানগর উত্তর জামায়াতের সভাপতি সেলিম খানের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগ দেওয়ার পর আবুল কাশেম ও জহির উদ্দীন আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন এবং আইনের প্রতি কোনো তোয়াক্কা না করে কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী।

 

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলমান রয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply