শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে শহীদ দিবস উপলক্ষে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে  জুলাই গণহত্যার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড জয় ও পলক: চিফ প্রসিকিউটর গাজা যুদ্ধ নিয়ে নীরবতায় সমালোচনার মুখে বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী স্কুলের ছুটি নিয়ে ধোঁয়াশা, যা বলছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানির সময়সূচিতে পরিবর্তন সংসদে গেলেও যা করতে পারবেন না টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীরা ‘বিএনপি আগে আমার পদত্যাগ চাইলেও সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতি বদলেছে’ অন্তর্বর্তী সরকারের নিয়োগ দেওয়া ভিসিদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী রমজানে নবীজি (সা.) যেসব দোয়া বেশি পড়তেন পবিত্র রমজান উপলক্ষে দেশবাসীকে জামায়াত আমিরের শুভেচ্ছা

সংসদে গেলেও যা করতে পারবেন না টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীরা

Chif Editor

ডেস্ক রিপোর্ট :- ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা নিয়ে গঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারে দুজন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী ও একজন টেকনোক্র্যাট প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ পেয়েছেন। তারা নির্বাচিত সংসদ সদস্য নন; বরং পেশাগত দক্ষতা ও বিশেষজ্ঞ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

সরকারি ঘোষণায় বলা হয়েছে, টেকনোক্র্যাট কোটায় পররাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন খলিলুর রহমান। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিনকে। আর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে আমিনুল হককে।

সংবিধান অনুযায়ী, টেকনোক্র্যাট বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, যিনি নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য হননি, তবে সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য এবং বিশেষ বিবেচনায় মন্ত্রিসভায় নিয়োগ পান।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন। শর্ত হলো—মোট মন্ত্রীর অন্তত নয়-দশমাংশ সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে হতে হবে এবং সর্বোচ্চ এক-দশমাংশ নেওয়া যাবে সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্য থেকে। এই অংশটিই টেকনোক্র্যাট কোটার ভিত্তি।

সংসদে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের ক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা নির্ধারণ করা হয়েছে সংবিধানের ৭৩ক অনুচ্ছেদে। সেখানে বলা হয়েছে, কোনো মন্ত্রী সংসদ সদস্য না হলেও সংসদে বক্তব্য দিতে ও কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন, তবে ভোট দিতে পারবেন না।

এ ছাড়া টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের জন্য আরও একটি সীমাবদ্ধতা রয়েছে—তারা কেবল নিজ নিজ মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বক্তব্য রাখতে পারবেন। অন্য মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে আলোচনায় অংশ নেওয়ার সুযোগ তাদের নেই।
ফলে মন্ত্রিসভার সদস্য হলেও সংসদীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে সরাসরি ভোটাধিকার প্রয়োগ এবং সব বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত থাকেন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীরা।

Leave a Reply