
নিহত মোহাম্মদ আলী উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামের নজরুল মিয়ার ছেলে। পরিবারের দাবি, তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেলে তিতাস নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয় লোকজন জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন দেন। খবর পেয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াছিন মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে নিহতের স্বজনেরা এসে মরদেহটি শনাক্ত করেন।
নিহতের পরিবার জানায়, গত তিন দিন ধরে মোহাম্মদ আলীর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করলেও তাঁর সন্ধান মেলেনি। তবে এই ঘটনায় থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়নি বলে জানিয়েছেন তাঁর বাবা নজরুল মিয়া।
নিহতের মা জানান, মোহাম্মদ আলী মানসিকভাবে অসুস্থ থাকায় গত কয়েকদিন ধরে কুমিল্লায় তাঁর চিকিৎসা চলছিল। ফেসবুকে ছবি দেখে এবং লোকমুখে খবর পেয়ে তাঁরা নদীপাড়ে এসে মরদেহ শনাক্ত করেন। তবে তিনি কীভাবে নদীতে গেলেন, সে বিষয়ে পরিবার কিছুই জানাতে পারেনি।
বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াছিন মিয়া বলেন, ৯৯৯ থেকে খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করি। এরই মধ্যে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। এই ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।



