
অনলাইন ডেস্ক :- দেশের বিভিন্ন উপজেলার ১০৪টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ সংক্রান্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পত্রকে সম্পূর্ণ ‘ভুয়া ও ভিত্তিহীন’ বলে নিশ্চিত করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি এবং জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে এই জাল পত্রটি তৈরি করা হয়েছে।
গত ২৭ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-১ অধিশাখা থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো এক পত্রে এই সতর্কবার্তা প্রদান করা হয়। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রাজীব কুমার সরকার স্বাক্ষরিত ওই পত্রে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের নাম ব্যবহার করে ইস্যু করা ওই তথাকথিত পত্রটির কোনো সত্যতা নেই।
উল্লেখ্য, গত ১৫ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল আলমের স্বাক্ষর জাল করে একটি পত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যেখানে দাবি করা হয়েছিল, প্রধান উপদেষ্টা দেশের ১০৪টি বিদ্যালয় জাতীয়করণের অনুমোদন দিয়েছেন।
বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের নজরে আসার পর তারা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করে যে, তাদের কার্যালয় থেকে এমন কোনো পত্র ইস্যু করা হয়নি। এর প্রেক্ষিতে মাঠ পর্যায়ের সব দপ্তর ও সংস্থাকে এই বিভ্রান্তিকর তথ্য সম্পর্কে সতর্ক থাকার এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে এটি যে মিথ্যা তা জানিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


